আনন্দ ঈশ্বররূপে স্রষ্টার স্বরূপ সম্পর্কে জেনেছিল।ব্রহ্ম যখন জীব জগতের উপর প্রভুত্ব করেন তখন তাঁকে ঈশ্বর বলে। ঈশ্বর জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। এই জন্য তাঁকে পরমেশ্বর বলা হয়। ঈশ্বরের রূপের শেষ নেই। তিনি অনন্তরূপী; জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরামাত্মা এবং ভক্তের কাছে তিনি ভগবান। বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে ঈশ্বর অনন্ত অসীম। তাঁর কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি শাশ্বত, তিনি নিত্য, শুদ্ধ ও পরম পবিত্র। তিনি সকল কর্মের ফলদাতা। যে যে রকম কর্ম করে তিনি তাকে সে রকম ফল দিয়ে থাকেন। ঈশ্বর নিরাকার। প্রয়োজনে তিনি সাকার হতে পারেন। কারণ অনন্ত তাঁর শক্তি। ঈশ্বর সর্বত্র বিরাজ করেন। ঋগবেদ অনুসারে তিনি পরম পুরুষ, তাঁর সহস্র, মস্তক, সহস্র চক্ষু, সহস্র চরণ। এ কথার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সর্বব্যাপিতাই বোঝানো হয়েছে। তিনি অদ্বিতীয়। তিনি জ্যোতিঃস্বরূপ, তিনি সকলের মধ্যে বিরাজ করেন।সুতরাং বলা যায়, আনন্দ স্রষ্টার স্বরূপ সম্পর্কে উপরিউক্ত বিষয়গুলো জেনেছিল।