অভিকের কর্মকান্ডের সাথে পাঠ্যপুস্তকের প্রহ্লাদ চরিত্রের সাদৃশ্য আছে।
হিরণ্যকশিপু ছিলেন হরিবিদ্বেষী। কিন্তু তার পুত্র ছিলেন হরিভক্ত। তার নাম প্রহ্লাদ। অনেক চেষ্টা করেও রাজা হিরণ্যকশিপু পুত্র প্রহ্লাদের হৃদয় থেকে হরিভক্তি দূর করতে পারেন না। পরে তাকে হত্যা করার নানা চেষ্টা করা হয়। পাহাড় থেকে ফেলে দিয়ে, বিষধর সর্পের প্রকোষ্ঠে নিক্ষেপ করে, হাতির পায়ের নিচে ফেলে, বিষমিশ্রিত অন্ন দিয়ে। কোনোভাবেই প্রহ্লাদকে হত্যা করা যায় না। শ্রীহরি তাকে সর্বাবস্থায় রক্ষা করেন। পরবর্তী সময় শ্রীহরি নৃসিংহ অবতার রূপে হিরণ্যকশিপুকে বধ করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, হরিভক্ত অভিক সবসময় শ্রী হরিকে ডাকে। সে সব কিছুর মধ্যই শ্রী হরিকে দেখতে পায়। কিন্তু অভিকের বাবা রাজীব নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে। অভিকের হরিভক্তিতে রাজীব রেগে গিয়ে তাকে বিভিন্ন উপায়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অভিক শ্রী হরির কৃপায় সকল বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করে। এসব বিষয় প্রহ্লাদ চরিত্রের সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, অভিকের কর্মকাণ্ড পাঠ্যপুস্তকের প্রহ্লাদের চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।