ঘটনা-২ এর কল্যান পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত কাঠুরিয়ার চরিত্রের খণ্ডাংশ মাত্র।
একদিন এক কাঠুরিয়া বনে কাঠ কাটার সময় তার কুঠারটি অসাবধানতাবশত নদীর জলে পড়ে যায়। কুঠারের শোকে সে মনের দুঃখে কাঁদতে লাগল। এমন সময় জলের ভেতর থেকে জলদেবতা উঠে আসল এবং বিস্তারিত শুনে জলে ডুব দিল। এরপর একবার সোনার কুঠার এবং আর একবার রুপার কুঠার নিয়ে উঠল। দুবারই কাঠুরিয়া প্রত্যাখ্যান করল। তখন জলদেবতা লোহার কুঠারটি নিয়ে এলে সেটিকে সে তার নিজের বলে দাবি করল। এতে খুশি হয়ে জলদেবতা কাঠুরিয়াকে তিনটি কুঠারই দিলেন। সোনা ও রুপার কুঠার দুটি বিক্রি করে কাঠুরিয়ার দুঃখ লাঘব হলো।ঘটনা-২ এ দেখা যায়, কল্যান দরিদ্র কৃষক। বাজারে কিছু টাকা হারিয়ে গেলে চেয়ারম্যান মহোদয় তা কুড়িয়ে পান। কল্যানের মন খারাপ দেখে চেয়ারম্যান মহোদয় এর কারণ জানতে চাইলে কল্যান বলে, আমি কিছু টাকা হারিয়ে ফেলেছি। চেয়ারম্যান মহোদয় বললেন, “দেখ তো এই এক হাজার টাকার নোটটি তোমার কি না?” কল্যাণ বললো, 'আমার দুইশত টাকা হারিয়েছে।' কল্যাণের এমন সততায় খুশি হয়ে চেয়ারম্যান মহোদয় দুইশত টাকার সাথে একহাজার টাকার নোটটিও উপহার দিলেন।
সুতরাং বলা যায়, ঘটনা-২ এর কল্যান পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত উপাখ্যানের মূল চরিত্রের খণ্ডাংশ মাত্র।