উদ্দীপকে ডাক্তার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও শারীরিক লক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলেন তন্ময় মাদকাসক্ত।
আমরা জানি, মাদক গ্রহণ বা মাদকাসক্তি অনৈতিক এবং অধর্মের পথ। কারণ মাদকাসক্তি মাদক গ্রহণকারীর স্বাভাবিক চেতনাকে বিমূঢ় করে দেয়। তিনি আর প্রকৃতিস্থ থাকেন না, সুস্থ থাকেন না। আর অসুস্থ দেহ ও মনে তিনি যে আচরণ করেন, তাতে অনৈতিকতা প্রকাশ পায়।
ধূমপান, মদ, গাঁজা, আফিম, হেরোইন, কোডিন (ফেনসিডিল) ইত্যাদি মাদক। এগুলো গ্রহণ করা একবার শুরু হলে তা নেশায় পরিণত হয় আর সহজে ছাড়া যায় না। মাদকাসক্ত মাদকদ্রব্য না পেলে অস্থির হয়ে ওঠেন। তার আচরণ কখনও কখনও হয়ে ওঠে ধ্বংসাত্মক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, তন্ময় ইদানিং অস্থির ও ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠেছে। সে বাড়ির আসবাবপত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ভেঙে ফেলে। আবার কখনও কখনও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি মারোদ্যত হয়। তন্ময়ের এ রকম আচরণে তার পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে তন্ময় মাদকাসক্ত।