অমিয়র কর্মকাণ্ডে শিষ্টাচার শিক্ষার প্রতিফলন পতিভাত হয়েছে। নিচে অমিয়র কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মূল্যায়ন করা হলো-
শিষ্টাচার আদর্শ জীবনের জন্য অপরিহার্য। নম্র, ভদ্র বা শিষ্ট আচরণই শিষ্টাচার। শিষ্টাচার মনুষ্যত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান। এ গুণটি অর্জন করে মানুষ পশু থেকে আলাদা হতে পারে। শিষ্টাচারী ব্যক্তি কাউকে হেয় করে না, তিনি সকলকে সমানভাবে দেখেন। সমাজে উঁচু-নিচু, ধনী-গরিব এ সকল বিষয় তাকে প্রভাবিত করতে পারে না। তার কাছে সকলেই সমানরূপে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা লাভ করেন। পিতা-মাতা, পরিবারের লোকজন যেমন তার প্রিয় তেমনি আত্মীয় নয় এমন লোকও তার কাছে প্রিয় হিসেবে বিবেচিত।
অনুচ্ছেদের অমিয় শিষ্টাচারের গুণে উদ্ভাসিত। পিতা-মাতাকে সে যেমন শ্রদ্ধা করে, ভক্তি করে, তেমনি সমাজের অন্য সকলের প্রতিও তার আচরণ এমনই। এমনকি সে তার সহপাঠীদের প্রতিও খুব মমতাশীল। তাদেরকে সে শুভেচ্ছা জানায়, ছোটোদেরও অমিয় আদর করে। তার আচরণ থেকে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়।
তাই অমিয়র দৃষ্টান্ত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সমাজে শিষ্টাচারের গুরুত্ব অপরিসীম।