পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মাদকাসক্তির নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়।
মাদকাসক্তির কারণে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন শিথিল হয়ে যায়। পরিবারে অশান্তি বিরাজ করে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য কেনার অর্থ জোগাড় করতে নৈতিকতা বোধ হারিয়ে অন্যায় কাজ করতেও দ্বিধা করে না। এর ফলে সমাজে অসামাজিক কাজ ও অপরাধ বৃদ্ধি পায়। সমাজজীবনে অশান্তি বিরাজ করে।
মাদক গ্রহণ বা মাদকাসক্তি অনৈতিক ও অধর্মের পথ। কারণ মাদকাসক্তি মানুষের মানবিক গুণাবলি ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। মাদকাসক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য না পেলে অস্থির হয়ে ওঠে। তার আচরণ কখনও কখনও হয়ে ওঠে ধ্বংসাত্মক। ক্রমে অসুস্থ হয়ে গিয়ে সে পরিবার ও সমাজের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে। হিন্দুধর্ম অনুসারে, মাদকাসক্তি মহাপাপ। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করে সে পরবর্তী জন্মে শূকর হয়ে জন্মগ্রহণ করবে। উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, মাদকাসক্তি পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক জীবনে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং আমাদের সবার শপথ নেওয়া উচিত “ধূমপান, মাদক গ্রহণ অধর্মের পথ, চালাব না সে পাপপথে আমার জীবনরথ।”