কাকুর শেখানো আসনটি হচ্ছে গরুড়াসন, যার মাধ্যমে রীনা তার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে।
গরুড়াসনের দেহভঙ্গি হয় গরুড়-এর মতো। তাই এর নাম হয় গরুড়াসন। এটি নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে উপকৃত হওয়া যায়। যেমন- পায়ের ও হাতের গঠন সুন্দর হওয়ার সাথে সাথে তাদের শক্তি বৃদ্ধি পায়। পায়ে বাত হতে পারে না, পায়ের পেশিতে খিল ধরতে পারে না। বাঁকা মেরুদণ্ড সোজা হয়, ব্রহ্মচর্য রক্ষা করা সহজ হয়।
উদ্দীপকের রীনার মাঝে মধ্যে পায়ের পেশিতে খিল ধরে। আর এ কারণে মাঝে মাঝে ঠিকমতো দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারে না, পড়ে যায়। গরুড়াসন অনুশীলন এ সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
পরিশেষে বলা যায়, কাকুর শেখানো আসনটি গরুড়াসন, যার মাধ্যমে রীনা উক্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে।