সুবিনয় বাবু পূর্ণাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেন। ভগবান যখন পূর্ণরূপে অবতরণ করেন, তখন তাঁকে বলা হয় পূর্ণাবতার। ভগবানের সমস্ত শক্তি ও গুণ পূর্ণাবতারের মধ্যে থাকে। শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন ভগবানের পূর্ণাবতার। কারণ ভগবানের সমস্ত ঐশ্বর্য তাঁর মধ্যে ছিল। পৃথিবীতে যখন ধর্মের গ্লানি দেখা দেয়, অধর্মের বৃদ্ধি ঘটে, তখন ধর্ম সংস্থাপন এবং দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য তিনি যুগে-যুগে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে এসে তিনি নিজের ঐশ্বরিক শক্তির মাধ্যমে জীবকুলকে রক্ষা করেন। সমাজে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেন।শ্রীকৃষ্ণ যখন আবির্ভূত হন তখন কংস, জরাসন্ধ, শিশুপাল, দুর্যোধন খুবই অত্যাচারী হয়ে উঠেছিলেন। এদের অত্যাচারে মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছিল। শ্রীকৃষ্ণ এদের বিনাশ করে শান্তি স্থাপন করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিয়েছেন। দুষ্টের কাছে তিনি ভয়ঙ্কর, সজ্জনের কাছে শান্তির সৌম্য কান্তিধারী, ভক্তের কাছে ভগবান। যা আমরা উদ্দীপকের সুবিনয় বাবুর আরাধ্য অবতারের মধ্যে প্রত্যক্ষ করি। অর্থাৎ সুবিনয় বাবু পূর্ণাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেন।