GDP পরিমাপে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হয় না বলে শিক্ষক ইঙ্গিত দিয়েছেন সেগুলোকে জিডিপির হিসাব বহির্ভূত বিষয় বলা হয়। জিডিপির এ সকল হিসাব বহির্ভূত বিষয় আমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো-
১. মূলধনী লাভ ক্ষতি: মূলধনী লাভ বা ক্ষতি জিডিপি গণনার ক্ষেত্রে কখনো গণনা করা হয় না। কারণ সময় বিবর্তনে সম্পদের মূল্য পরিবর্তনজনিত লাভ বা ক্ষতি GDP গণনার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে না। তাছাড়া এ লাভ-ক্ষতি শুধু কাগজে কলমে লিপিবদ্ধ করা হয়।
২. মাধ্যমিক দ্রব্য ও সেবা: জাতীয় আয় গণনায় শুধু চূড়ান্ত দ্রব্য বিবেচিত হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্যের ভেতরেই মাধ্যমিক পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবা অন্তর্ভুক্ত হয়। এজন্য মাধ্যমিক পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবা জাতীয় আয় গণনার সময় বিবেচিত হয় না।
৩. বিনামূল্যে ব্যবহৃত দ্রব্য ও সেবা: জিডিপি গণনায় বিনামূল্যে ব্যবহৃত দ্রব্য ও সেবা গণনা করা হয় না। যেমন- মায়ের আদর, স্ত্রীর রান্নাবান্না ইত্যাদির মূল্য।
৪. অতীতে উৎপাদিত পণ্য ও লেনদেন বিবেচ্য নয়: যে বছরের জিডিপি গণনা করা হয়, তার পূর্বের কোনো বছরের উৎপাদন আলোচ্য বছরের মোট দেশজ উৎপাদনে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
৫. সরকারি ঋণের সুদ: সরকারি ঋণের বিপরীতে যে সুদ দেওয়া হয় তা GDP-তে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
৬. বেআইনি কাজ: বেআইনি কাজ থেকে প্রাপ্ত আয় GDP গণনার ক্ষেত্রে বিবেচিত হয় না। উপরিউক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, উপরের বিষয়গুলো
জিডিপির হিসাব বহির্ভূত বিষয় জানিয়ে শিক্ষক ক্লাসে আলোচনা করেছিলেন।