বাংলাদেশে GDP গণনার দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। প্রতিবছর চলতি ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে GDP গণনা করা হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে GDP গণনা করে। উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।
উদ্দীপকে ছক- খ-তে এই ১৫টি খাতের মধ্যে বনজসম্পদ, খনিজ ও খনন, বিদ্যুৎ, রিয়েল এস্টেট- এই ৪টির কথা উল্লেখ রয়েছে। এই খাতগুলো কীভাবে GDP পরিমাপে সম্পৃক্ত হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. বনজ সম্পদ: বন খাতের উপকরণের তথ্যের অভাবে মোট উৎপাদন হতে ৩% মূল্য বাদ দিয়ে যা থাকে, তাকে মূল্য সংযুক্তি হিসেবে বিবেচনা করে GDP বের করা হয়।
২. খনিজ ও খনন: শিল্প খাতের মধ্যে খনিজ ও খননকে আলাদা খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ খাতে (ক) প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল এবং (খ) অন্যান্য খনিজ সম্পদ ও খনন বিষয়ের উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্যের হিসাব করা হয়। এসব খাতের হিসাব দেশজ উৎপাদনের দিক থেকে গণনা করা হয়।
৩. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসম্পদ: এ খাতে সেবা সরবরাহ মূল্যের পরিপ্রেক্ষিতে মোট দেশজ উৎপাদন মূল্য হিসাব করা হয়। বাংলাদেশের জন্য এই খাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের পাশাপাশি এ খাতসমূহ বেসরকারিভাবেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
৪. রিয়েল এস্টেট: ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা: এ খাত থেকে দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ হিসাব করা হয় সেবা থেকে প্রাপ্ত আয়ের পরিমাপের ভিত্তিতে।
অর্থাৎ উদ্দীপকে ছক 'খ'-এর খাতগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতিতে এভাবে সম্পৃক্ত হয়।