উদ্দীপকে দৃশ্য-১-এ নির্দেশিত গণি মিয়ার গ্রামের চিত্র গ্রিক সভ্যতা অলিম্পিক খেলার আয়োজনের বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়। খেলাধুলা মাধ্যমে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গ্রিক সভ্যতার অবদান অপরিসীম।গ্রিক সভ্যতায় শিশুদের খেলাধুলার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হতো। বিদ্যালয়ে তাদের খেলাধুলার হাতেখড়ি হতো,, শরীরচর্চা ও খেলাধুলার প্রতি গ্রিকদের যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। উৎসবের দিনে গ্রিসে নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হতো। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল দেবতা জিউসের সম্মানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা। অলিম্পিক ক্রীড়া-প্রতিযোগিতায় গ্রিকরা অংশ নিত। তাতে দৌড়ঝাঁপ, মল্লযুদ্ধ, চাকা নিক্ষেপ, বর্শা ছোড়া ইত্যাদি বিষয়ের প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকত। বিজয়ীদের জলপাই গাছের ডাল পাতা দিয়ে তৈরি মালা দিয়ে পুরষ্কৃত করা হতো। এ মেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নিত। এ খেলাকে ঘিরে গ্রিক নগররাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শত্রুতার বদলে সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব গড়ে ওঠে। ফলে সাংস্কৃতিক ভাববিনিময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও রাজনৈতিক সমঝোতা হয়।
উদ্দীপকের দেখা যায়, প্রতি বর্ষাকালেই গনি মিয়ার গ্রামের লোকেরা হা-ডু-ডু, কুস্তি ও লাঠি খেলা শিখত। ৩ বছর পর পর আশপাশের কয়েকটি গ্রামের অংশগ্রহণে হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। যা গ্রিক সভ্যতার খেলাধুলা তথা অলিম্পিকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।