চিত্রকলায় মিশরীয় সভ্যতার অবদান বৈচিত্র্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ।মিশরীয়দের শিল্পকলা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। মিশরীয় সভ্যতায় অন্যান্য দেশের মতো শিল্পকলাও গড়ে উঠেছিল তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে। তারা সমাধি আর মন্দিরের দেয়াল সাজাতে গিয়ে চিত্রশিল্পের সূচনা করে। তাদের প্রিয় রং ছিল সাদা-কালো। সমাধি, পিরামিড, মন্দির, প্রাসাদ, প্রমোদ কানন, সাধারণ ঘর বাড়ির দেয়ালে মিশরীয় চিত্রশিল্পীরা অসাধারণ ছবি এঁকেছেন। এসব ছবির মধ্যে সমসাময়িক মিশরের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের কাহিনী ফুটে উঠেছে। কারুশিল্পেও প্রাচীন মিশরীয় শিল্পীরা অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। আসবাবপত্র, মৃৎপাত্র, সোনা, রূপা, মূল্যবান পাথরে খচিত তৈজসপত্র, অলংকার, মমির মুখোশ, দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র, হাঁতির দাঁত ও ধাতুর দ্রব্যাদি মিশরীয় কারুশিল্পের দক্ষতার প্রমাণ বহন করে। ভাস্কর্য শিল্পে মিশরীয়দের মতো প্রতিভার ছাপ আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি। ব্যাপকতা, বৈচিত্র্য এবং ধর্মীয় ভাবধারায় প্রভাবিত বিশাল আকারের পাথরের মূর্তিগুলো ভাস্কর্য শিল্পে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ বহন করে।পরিশেষে বলা যায় চিত্রকলায় মিশরীয় সভ্যতার অবদান ছিল বৈচিত্র্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ।