দৃশ্যপট-২ গ্রিক সভ্যতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ক্রীড়াজগতে গ্রিক সভ্যতার অবদান অপরিসীম।উদ্দীপকের ফাহিম 'ক' নামক দেশ ভ্রমণ করে অলিম্পিক ভিলেজ ঘুরে দেখে। তখন তার একটি সভ্যতার কথা মনে পড়ে। এখানে ফাহিমের গ্রিক সভ্যতার কথা মনে হয়েছে। কেননা প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা অলিম্পিক খেলার প্রথম আয়োজন করেছিল এবং তারা ক্রীড়াজগতে ব্যাপক অগ্রগতি সাধন করেছিল। এ সভ্যতায় শিশুদের খেলাধুলার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হতো। বিদ্যালয়ে তাদের খেলাধুলার হাতেখড়ি হতো। শরীরচর্চা খেলাধুলার প্রতি গ্রিকদের যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। উৎসবের দিনে গ্রিসে নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হতো। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল দেবতা জিউসের সম্মানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা। অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গ্রিসের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদরা অংশ নিত। এতে দৌড়ঝাঁপ, মল্লযুদ্ধ, চাকা নিক্ষেপ, বর্শা ছোড়া, মুষ্টিযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয় প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকত। বিজয়ীদের জলপাই গাছের ডাল-পাতায় তৈরি মালা দিয়ে পুরস্কৃত করা হতো। প্রতি চার বছর পরপর এই খেলা অনুষ্ঠিত হতো। এ খেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নিত। এই খেলাকে ঘিরে গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শত্রুতার বদলে সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব গড়ে ওঠে।অতএব বলা যায়, ক্রীড়াজগতে গ্রিক সভ্যতার অবদান আজও বিশ্ববাসীর কাছে স্মরণীয়।