উদ্দীপকের শাহাদাতের সাথে বাংলা খলজি শাসক সুলতান গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজির তুলনা করা চলে।উদ্দীপকে বর্ণিত শাহাদাত যেমন রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য নৌবাহিনী গঠন করেন ও বহু খাল খনন ও সেতু নির্মাণ করেন তেমনি গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজিও অনুরূপ কাজ সম্পাদন করেন। তুর্কি শাসক সুলতান গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শাসনকার্যের সুবিধার্থে রাজধানী দেবকোট হতে লখনৌতিতে স্থানান্তর করেন। রাস্তা নির্মাণ করে সৈন্য ও পণ্য চলাচলের সুব্যবস্থা করেন। নদীমাতৃক বাংলায় রাজ্য সম্প্রসারণে শক্তিশালী নৌবাহিনীর গোড়াপত্তন করেছিলেন। রাজধানীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার জন্য এর তিন পাশে গভীর ও প্রশস্ত পরিখা নির্মাণ করা হয়। বার্ষিক বন্যার হাত থেকে লখনৌতি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য তিনি বহু খাল খনন ও সেতু নির্মাণ করেন। তিনি রাস্তা নির্মাণ করে সৈন্য ও পণ্য চলাচলের সুবন্দোবস্ত করেন। এ রাজপথ নির্মাণের ফলে রাজ্য শাসন ও ব্যবসায় বাণিজ্যেরই। শুধু সুবিধা হয়নি, বরং দেশের লোকের নিকট আশীর্বাদস্বরূপ ছিল। কারণ, তা বার্ষিক বন্যার কবল থেকে তাদের গৃহ ও শস্যক্ষেত্র রক্ষা করত।উপরিউক্ত কার্যাবলির জন্য উদ্দীপকের শাহাদাতের সাথে গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজিকে তুলনা করা চলে।