'ক' রাষ্ট্রটি জনগণের দ্বারা জনগণের কল্যাণার্থে পরিচালিত একটি শাসন ব্যবস্থা। এ মন্তব্যটি যৌক্তিক। কারণ 'ক' রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান।গণতন্ত্র বর্তমান যুগে প্রচলিত শাসনব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সর্বোকৃষ্ট ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য শাসনব্যবস্থা। এটি এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসনকার্যে জনগণের সকলে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সকলে মিলে সরকার গঠন করে। এটি জনগণের অংশগ্রহণে, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের কল্যাণার্থে পরিচালিত একটি শাসনব্যবস্থা।উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে। জনগণ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ ও সরকারের সমালোচনা করতে পারে। এ থেকে সহজেই বোঝা যায়, 'ক' রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। আর গণতান্ত্রিক সরকার হলো জনগণের সরকার। এছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের মতপ্রকাশ ও সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ থাকে। এতে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় অর্থাৎ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হয়। গণতন্ত্রে একাধিক রাজনৈতিক দল থাকে। সকলের স্বার্থরক্ষার সুযোগ থাকে এবং নাগরিকের অধিকার ও আইনের শাসনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ শাসনব্যবস্থায় ব্যক্তিস্বাধীনতার বিকাশ ঘটে এবং নাগরিক অধিকার রক্ষিত হয়।আলোচনা শেষে বলা যায়, গণতন্ত্রের সর্বক্ষেত্রে জনগণের অধিকার সংরক্ষিত, জনগণ সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। আর সরকারও সর্বদা জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। একারণেই আব্রাহাম লিংকন বলেছিলেন, 'গণতন্ত্র হলো জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা পরিচালিত শাসনব্যবস্থা'।