দৃশ্যকল্প-১ এ জনাব ইসমাইল সাহেব এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হয়েও সমাজের সকল মানুষের সমান সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তৎপর। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কাজে তিনি সকলের মতামতকে গুরুত্ব দেন। এ দ্বারা সাম্যকে নির্দেশ করছে। আর দৃশ্যকল্প-২ দ্বারা স্বাধীনতাকে নির্দেশ করছে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে ঘটনা দুটি অর্থাৎ সাম্য ও স্বাধীনতা পরস্পর সম্পূরক ও পরিপূরক।সাম্য ছাড়া যেমন স্বাধীনতার কথা কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি স্বাধীনতা ছাড়া সাম্যের কথা ভাবা যায় না। একটি রাষ্ট্র যত সাম্যভিত্তিক হবে সেখানে স্বাধীনতা তত নিশ্চিত হবে। সাম্য ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিরূপে কাজ করে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেমন সাম্যের দরকার হয়, তেমনি স্বাধীনতারও প্রয়োজন হয়। সাম্য ও স্বাধীনতা একই সঙ্গে বিরাজ না করলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা সম্ভব হতো না। সাম্য উঁচু, নীচুর ভেদাভেদ দূর করে আর স্বাধীনতা সকলের সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করার অধিকার প্রদান করে। অর্থাৎ রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ, চলাফেরা ও জীবনধারণের জন্য সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে না। এজন্য সমাজের সুবিধাগুলো সকলে মিলে সমানভাবে ভোগ করতে হলে স্বাধীনতার প্রয়োজন। তাই বলা যায়, সাম্য মানেই স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা মানেই সাম্য।উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলা যায়, দৃশ্যপট-১ ও দৃশ্যপট-২ এর বিষয় দুটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।