রমিজের বিরুদ্ধে মাতব্বর আইনের সহায়তা নিতে পারে বলে আমার ধারণা।রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যাতে সুখে-শান্তিতে স্বাধীনভাবে বসবাল করতে পারে, রাষ্ট্র সে জন্য আইন প্রণয়ন করে। আইন না থাকলে সমাজে অনাচার ও অরাজকতার সৃষ্টি হয়। আইনের শাসন অনুপস্থিত থাকলে নাগরিক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সামাজিক মূল্যবোধ, সাম্য কিছুই থাকে না। আইন স্বাধীনভাবে অধিকার উপভোগ করতে সহায়তা করে। আইনের নিয়ন্ত্রণ আছে বিধায় স্বাধীনতা রক্ষা পায়। এক্ষেত্রে আইন স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে থাকে। পিতামাতা যেমন অভিভাবক হিসেবে সন্তানদের সকল বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে নিরাপদে রাখেন, ঠিক তেমনি আইন সর্বপ্রকার বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করে স্বাধীনতাকে রক্ষা করে। সর্বোপরি, আইন স্বাধীনতার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারিত করে এবং স্বাধীনতাকে উপভোগের সুযোগ প্রদানের পাশাপাশি রক্ষাও করে থাকে। তাই কোনো ক্ষেত্রে অধিকার খর্ব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে আইনের আশ্রয় লাভ করা যায়। আইনের সহায়তায় স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়।উদ্দীপকের মাতব্বর করিম সাহেব মিঠুর সামাজিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ায় তার অধিকার ফেরত নিতে তিনি তার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে আইনের সহায়তা নিতে পারবেন। আইনের সহায়তা গ্রহণ করে তিনি মিঠুকে তার অধিকার রক্ষা করতে সহায়তা প্রদান করবেন।সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমি মনে করি যে, রমিজের বিরুদ্ধে মাতব্বর আইনের সহায়তা নিতে পারেন।