হ্যাঁ, আমি মনে করি, 'ক' শাখার ক্যাপ্টেন নির্বাচন পদ্ধতির চেয়ে 'খ' শাখার ক্যাপ্টেন নির্বাচন পদ্ধতি বর্তমানে সর্বজন স্বীকৃত।পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী আমি জানি, নির্বাচন পদ্ধতি দুই প্রকার। যথা-প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতি ও গোপন ভোটদান পদ্ধতি। উদ্দীপকের 'ক' 'শাখার ক্যাপ্টেন নির্বাচন প্রকাশ্যে ভোটদান পদ্ধতিতে হয়েছে। অপরদিকে, 'খ' শাখার ক্যাপ্টেন নির্বাচন গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে হয়েছে। যেখানে কেউ ভোট দিতে বিব্রতবোধ করল না। কারণ এ গোপন ভোটদান পদ্ধতি বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তাই আমি গোপন ভোটদান পদ্ধতিকে সমর্থন করি। প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতি হলো প্রতিনিধি বাছাইয়ের এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জনগণ প্রকাশ্যে নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দেয়। এতে ভোটাররা প্রকাশ্যে হ্যাঁ বা না ধ্বনি উচ্চারণ করে অথবা হাত তুলে সমর্থন প্রদান করে। এতে করে প্রার্থী দেখতে পায় কে তাকে সমর্থন দিচ্ছে আর কে দিচ্ছে না। ফলে এই নিয়ে পরবর্তীতে প্রার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং ভোটাররা বিরোধী দলের বিরাগভাজন হন। তাছাড়া প্রকাশ্যে ভোটদান পদ্ধতিতে নাগরিকরা স্বাধীনভাবে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে না বলে এখানে জনমতের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে না। অন্যদিকে, গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটাররা গোপনে ব্যালট পত্রে পছন্দের ব্যক্তির নামের পাশে সিল দিয়ে ভোট প্রদান করে। এভাবে গোপনে ভোটদানের মাধ্যমে ভোটারের পরিচয় গোপন থাকে। ফলে একদিকে যেমন প্রার্থী ও জনগণের মধ্যে সম্ভাব বজায় থাকে, তেমনি জনমতের পূর্ণ প্রতিফলন দেখা যায়। বর্তমানে পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের ক্ষেত্রে গোপন ভোটদান পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এ পদ্ধতিতে ভোটাররা স্বাধীন ও ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র জনগণের ইচ্ছাধীন শাসন বাস্তবায়িত হয়।