উদ্দীপকে মি. সিফাত নির্বাচন কমিশনের সভাপতি। কেননা, মি. সিফাত সাংবিধানিকভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এবং তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯-এ বর্ণিত দায়িত্ব একজন নির্বাচন কমিশনার পালন করেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। আর এই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, ভোটারদের পরিচয়পত্র প্রদান, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ) পরিচালনা এবং আনুষঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন। এছাড়া নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইকরণ, দল সম্পর্কিত নীতিমালা ও নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করাও নির্বাচন কমিশনের কাজ। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা।অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে মি. সিফাত নির্বাচন কমিশনের সভাপতি। বিভিন্ন নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে তিনি গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করেন।