মি. রবিউল সাহেবের মতো লোকেরাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে- মন্তব্যটি যথার্থ।একজন সংগঠক বা উদ্যোক্তা নিজের কর্মসংস্থানের জন্য অপরের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেই নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অপর ব্যক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে। মূলত উদ্যোক্তাগণ নতুন নতুন ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখেন। উদ্যোক্তা কঠোর পরিশ্রম, সততা, চারিত্রিক উৎকর্ষতা, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের দ্বারা ব্যবসায় পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। উদ্যোক্তাগণ তাদের প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের দ্বারা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও তা রপ্তানি করেন।উদ্দীপকের মি. রবিউল সাহেব মাছ ও দুধ বিক্রয় করে শুধু নিজেই লাভবান হচ্ছে না, বরং যারা সেই দুধ ও মাছ ভোগ করছে তারাও উপকৃত হচ্ছে। তাছাড়া দুধ ও মাছ বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিবহণের মালিকরাও লাভবান হচ্ছেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তার খামারে কয়েকজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এছাড়া তার দেখাদেখি অনেকে মাছ চাষ ও গরুর খামারে আগ্রহী হয়েছে। যা অনেক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
সুতরাং বলা যায়, মি. রবিউল সাহেবের মতো লোকেরাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভূমিকা রাখছে।