মাইশা পুকুরে পোনা মজুদ পরবর্তী সময়ে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করেন এবং সফল হন।প্রাকৃতিক খাদ্য মাছের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের প্রধান উৎস। পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি পরীক্ষার মাধ্যমে পুকুরে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার আছে কি না এবং আরও সার প্রয়োগ করতে হবে কি না সেটা জানা যায়। কয়েকটি পদ্ধতিতে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করা হয়। যেমন- সেক্কিডিস্ক পরীক্ষা, হাত পরীক্ষা, গ্লাস পরীক্ষা। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের অবস্থা জানা যায় এবং প্রাকৃতিক খাদ্যের অবস্থার আলোকে পুকুরে প্রয়োজন মতো সার প্রয়োগ করা যায়। পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য থাকলে বাইরে থেকে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। অন্যথায় সার প্রয়োগ করতে হয়। উক্ত পদ্ধতিতে অনুসরণ করে সার প্রয়োগ করায় মাইশাকে অতিরিক্ত খাদ্য প্রদান করতে হয়নি। এতে অর্থের অপচয় রোধ হয় এবং মাছের উৎপাদন বেশি হয়। যার কারণে মাছ চাষ করে মাইশা সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং বলা যায় "সার প্রয়োগে মাইশার কার্যক্রমটি অর্থের অপচয় রোধে সহায়ক"- উক্তিটি যথার্থ।