উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার প্রথম পরামর্শ ছিল বীজ উৎপাদন। বীজ উৎপাদন একটি জটিল প্রক্রিয়া। উন্নতমানের বীজ পেতে হলে যথাযথ নিয়ম ও পদ্ধতি অনুসরণ করে বীজ উৎপাদন করতে হবে।
বিভিন্ন ফসলের বীজ যেমন- ধান, পাট, গম, মুলা, মরিচ ইত্যাদি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বীজ জমি নির্বাচন, বীজ জমি পৃথকীকরণ, বীজ সংগ্রহ, বীজের হার নির্ধারণ, নির্বাচিত জমি প্রস্তুতিকরণ, বীজ বপন, রোগিং বা বাছাইকরণ, পরিচর্যা ইত্যাদি বিষয়গুলোর ওপর নজর রাখতে হবে। দ্বিতীয় পরামর্শ বীজ শুকানো। বীজ ২ প্রকারে শুকানো যায় (১) প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক বাতাসে শুকানো এবং (২) উত্তপ্ত বাতাসে শুকানো। বীজ শুকানোর সময় নির্ভর করে (১) বীজের আর্দ্রতার মাত্রা, (২) বাতাসের তাপমাত্রাও আর্দ্রতার মাত্রা, (৩) বাতাসের গতি এবং (৪) বীজের পরিমাণের উপর। তৃতীয় পরামর্শ, বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি। বীজ ভীষণ অনুভূতিপ্রবণ। একটু অসতর্কতার জন্য বিপুল পরিমাণে বীজ নষ্ট হয়। কৃষকেরা তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা দিয়ে বীজ সংরক্ষণ করতে পারেন। বাংলাদেশে বীজ সংরক্ষণের অনেক পদ্ধতি আছে। এক এক ফসলের বীজের জন্য এক এক রকম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন দানাজাতীয় শস্য- ধান, গম, ভুট্টা, বীজের জন্য ধানগোলা, ডোল, মাটির পাত্র, চটের বস্তা, পলিব্যাগ ও বেড় ব্যবহার করা হয়।উপরিউক্ত পরামর্শগুলোই উদ্দীপকে কৃষককে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিয়েছিলেন।