উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-'ক' এ মৎস্য ক্ষেত্র এবং দৃশ্যকল্প-'খ' এ মৎস্য আইন ও মৎস্য আইন ভাঙার ফলে সাজাপ্রাপ্ত জেলেকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মৎস্য অভয়াশ্রম তৈরির জন্য কোনো জলাশয় বা এর নির্দিষ্ট অংশে বছরের নির্দিষ্ট সময় বা সারা বছর মাছ ধরা নিষেধ করা হয়। এতে মাছের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত হয়। মাছের অবাধ প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ হয়। নিরাপদ আশ্রয় তৈরি হওয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বা বিপন্ন প্রজাতি সংরক্ষণ হয়। মাছের বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রাকৃতিক খাদ্য নিশ্চিত হয়। প্রজননক্ষম মাছকে রক্ষার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ও মজুদ নিশ্চিত করা যায়। এতে মাছের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ হয়। পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
অন্যদিকে মৎস্য আইন তৈরি হওয়ার ফলে নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ করা বন্ধ রাখা হয়। যদিও জেলেরা প্রয়োজনের তাগিদে মৎস্য আইন ভঙ্গ করেও মাছ ধরে। মৎস্য আইন জেলেরা বা মাছ ব্যবসায়ীরা মানতে চায় না। যার ফলে সুযোগ পেলেই তারা মৎস্য আইন ভাঙার চেষ্টা করে। এতে করে মাছের উৎপাদন অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু যদি সচেতনতা থেকে মৎস্য অভয়াশ্রম ও বিচরণক্ষেত্র তৈরি করা হয় তাহলে সকল জনগণ তা সংরক্ষণে সচেষ্ট থাকবে। তাই মৎস্য উৎপাদনে ও চাহিদা পূরণে মৎস্য অভয়াশ্রম ও ক্ষেত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাই উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে দৃশ্যকল্প-'ক', দৃশ্যকল্প-'খ' এর চেয়ে অধিক গুরুত্ব বহন করে।