উদ্দীপকের সুজন মিয়া তাজা ঘাস ও ভুট্টার পাতাকে সাইলেজ তৈরির মাধ্যমে গোখাদ্য হিসেবে সংরক্ষণ করেছিলেন।
রসালো অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাকে সাইলেজ বলে। ভুট্টা, সরগাম, আলফা আলফা, নেপিয়ার, গিনি ঘাস সাইলেজ তৈরির জন্য বেশ উপযোগী। সাইলেজ তৈরির জন্য সুজন মিয়া ফুল আসার সময় রসালো অবস্থায় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে রাখেন। এরপর সুজন মিয়া এগুলোকে কেটে টুকরো করেন এবং গর্তে বা সাইলোপিটে বায়ুরোধী অবস্থায় রেখে দেন। সাইলোপিটে ঘাস-রাখার সময় ঝোলাগুড় ছিটিয়ে দেন। এভাবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে রাখেন। এছাড়াও তিনি গর্তের পরিবর্তে পলিথিন দিয়ে তৈরি বড় আকারের ব্যাগে সাইলেজ সংরক্ষণ করেন যাতে পুষ্টিগুণ হারিয়ে না যায়।