উদ্দীপকের চিত্র-ক হলো গ্লাস পরীক্ষা যা দ্বারা প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয় এবং চিত্র-খ হলো পানির বিষাক্ততা পরীক্ষা পদ্ধতি যার মাধ্যমে পুকুরের বিষাক্ততা পরীক্ষা করা হয়।
গ্লাস পরীক্ষা: একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাস দ্বারা পুকুরের পানি নিয়ে সূর্যের আলোর দিকে ধরলে যদি পানির রং সবুজ বা বাদামি সবুজ দেখা যায় এবং পানিতে অসংখ্য সূক্ষ্ম কণা ও ছোট পোকার মতো দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরিমাণমতো তৈরি হয়েছে। পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য ঠিকমতো তৈরি না হলে মাছ উৎপাদন হ্রাস পাবে। তাই গ্লাস পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
পানির বিষাক্ততা পরীক্ষা: যে পুকুরে রাসায়নিক বিষ ব্যবহার করে মাছ মারা হয়েছে সেখানে পোনা মজুদের ১ দিন পূর্বে পুকুরে হাপা স্থাপন করে অথবা বালতিতে বা পাতিলে পুকুরের পানি নিয়ে তাতে ১০-১৫টি পোনা ছেড়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতে হবে। এসময়ে পোনা মারা না গেলে বোঝা যাবে পুকুরের পানিতে কোনো বিষক্রিয়া নেই। তখন পুকুরে পোনা ছাড়তে হবে। যদি পুকুরে বিষক্রিয়া হয় এবং বিষাক্ততা পরীক্ষা করা না হয় তাহলে পোনা ছাড়া মাত্রই পোনা মারা যাবে।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মাছ উৎপাদনে গ্লাস পরীক্ষা ও পানির বিষাক্ততা পরীক্ষা অর্থাৎ উভয় পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম।