কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শরীফ সাহেবের পুকুরে এ ধরনের সমস্যা হতো না? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: শরীফ সাহেব তার পুকুরে মাছ চাষের জন্য পাড় মেরামত, আগাছা দমন, নির্ধারিত হারে চুন ও সার প্রয়োগ করেন এবং পোনা ছাড়েন। কিন্তু কিছুদিন পর দেখলেন তার পুকুরের পোনা কমে যাচ্ছে। এর কারণ তিনি পুকুর থেকে রাক্ষুসে মাছ দূর করেন নি। শরীফ সাহেব নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে পুকুরে পোনার পরিমাণ কমে যেত না- যেমন রাক্ষুসে মাছ সরাসরি চাষের মাছ খেয়ে ফেলে মাছের উৎপাদনকে ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে তাকে রোটেনন বা মহুয়ার খৈল পুকুরে প্রয়োগ করতে হতো। মহুয়ার খৈল পুকুরে দিলে মাছের ফুলকার ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মাছ দম বন্ধ হয়ে মারা যায়। আমরা জানি, পুকুরে ৩০ সেমি গভীরতার পানির জন্য শতক প্রতি ৩০-৩৫ গ্রাম রোটেনন অথবা ৩ কেজি মহুয়ার খৈল ব্যবহার করতে হয়। অর্থাৎ, তার ৫০ শতক পুকুরের জন্য ১৫০০ ১৭৫০ গ্রাম রোটেনন বা ১৫০ কেজি মহুয়ার খৈল ব্যবহার করতে হতো। এজন্য মোট পরিমাণকে তিন ভাগ করে এক ভাগ দিয়ে কাই তৈরি করে ছোট ছোট বল বানিয়ে পুকুরের বিভিন্ন স্থানে দিতে হতো। বাকি ২ ভাগ পানিতে গুলিয়ে পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হতো। এরপর জাল টেনে পুকুরের পানি ওলট-পালট করে দিতে হতো। মাছ ভাসতে শুরু করলে জাল টেনে ধরে ফেলতে হতো। বিষ দেওয়ার ৭-১০ দিন পর পর্যন্ত পুকুরের পানি ব্যবহার করা উচিত ছিল না এবং নতুন মাছ ছাড়া যেত না। তাই আমি মনে করি, উপরিউক্ত উপায় অবলম্বন করলে শরীফ সাহেবের পুকুরে পোনা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হতো না।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শরীফ সাহেবের পুকুরে এ ধরনের সমস্যা হতো…
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর