বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে কৃষক সুজন মিয়ার গৃহীত কার্যক্রমটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: সুজন মিয়া তার গবাদিপশুর সারাবছরের খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কাঁচা ঘাস ও ভুট্টা সাইলেজ তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করেন। খরা মৌসুমে মাটিতে রসের পরিমাণ কম থাকায় ঘাসের উৎপাদন কমে আসে। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড় জাতীয় খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যের অভাবে সুজন মিয়া গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং পশুগুলো দুর্বল হয়ে যেতে পারে ভেবে সুজন মিয়া খরা মৌসুমসহ সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলার জন্য ঘাসের পাশাপাশি তার জমির ভুট্টাকেও সাইলেজ বানিয়ে সংরক্ষণ করে রাখেন। সাইলেজে দীর্ঘদিন পুষ্টিমান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং হে-এর তুলনায় পুষ্টিমান অপচয়ের পরিমাণ কম হয়। সাইলেজ তৈরির ফলে ঘাসের জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়। সাইলেজ সংরক্ষণের মাধ্যমে সারাবছর গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো যায়। এতে করে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে না। মাংস ও দুধের উৎপাদনও হ্রাস পায় না। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। বাংলাদেশ যেহেতু দুর্যোগপ্রবণ দেশ সেহেতু এখানে দুর্যোগচলাকালীন সময় থেকে শুরু করে সারা বছর গবাদিপশুর খাদ্য সরবরাহের জন্য অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করলে গবাদিপশুর পুষ্টি চাহিদা অক্ষুণ্ণ থাকবে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে সুজন মিয়ার কার্যক্রমটি সঠিক ও সুদূরপ্রসারি ছিল।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে কৃষক সুজন মিয়ার গৃহীত কার্যক্রমটি ম…
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর