মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সাহেব গ্রামবাসীকে উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়ে মাছগুলো ধরা নিষেধ করার কারণ- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দীন সাহেব আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে শোল, গজার, টাকিসহ নানা জাতের মাছ এবং ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেন। কারণ এ সময়ে উল্লিখিত মাছগুলো পোনা অবস্থায় থাকে। মাছের বংশবিস্তার হয় ডিমের মাধ্যমে। তাই ডিমওয়ালা মাছের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এ থেকে পরবর্তীতে আরও অনেক মাছের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এসব ডিমওয়ালা মাছ নির্বিচারে ধরে ফেলাতে অনেক ডিম অফুটন্ত অবস্থাতেই রয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে মৎস্য সম্পদ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও নিষিদ্ধ সময়গুলোতে পোনা মাছ ধরলে, মাছ আর বড় হতে পারে না ফলে মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এভাবে যদি মাছের প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করা হয় তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই জলাশয়গুলো মাছ শূন্য হয়ে যাবে। মাছ থেকে আমরা প্রাণিজ আমিষ পাই। সেক্ষেত্রে মাছের পরিমাণ কমতে থাকলে আমাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হুমকির সম্মুখীন হবে। তাই বলা যায়, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে প্রজনন বিঘ্নিত হচ্ছে এবং মৎস্য সম্পদ হ্রাস পাচ্ছে। তাই রমিজ উদ্দিন সাহেব উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়ে মাছ ধরতে নিষেধ করেছেন।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সাহেব গ্রামবাসীকে উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়…
উদ্দীপক
Chittagong · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর