শেয়ারFacebookWhatsApp

মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সাহেব গ্রামবাসীকে উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়ে মাছগুলো ধরা নিষেধ করার কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দীন সাহেব আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে শোল, গজার, টাকিসহ নানা জাতের মাছ এবং ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেন। কারণ এ সময়ে উল্লিখিত মাছগুলো পোনা অবস্থায় থাকে। মাছের বংশবিস্তার হয় ডিমের মাধ্যমে। তাই ডিমওয়ালা মাছের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এ থেকে পরবর্তীতে আরও অনেক মাছের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এসব ডিমওয়ালা মাছ নির্বিচারে ধরে ফেলাতে অনেক ডিম অফুটন্ত অবস্থাতেই রয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে মৎস্য সম্পদ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও নিষিদ্ধ সময়গুলোতে পোনা মাছ ধরলে, মাছ আর বড় হতে পারে না ফলে মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এভাবে যদি মাছের প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করা হয় তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই জলাশয়গুলো মাছ শূন্য হয়ে যাবে। মাছ থেকে আমরা প্রাণিজ আমিষ পাই। সেক্ষেত্রে মাছের পরিমাণ কমতে থাকলে আমাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হুমকির সম্মুখীন হবে। তাই বলা যায়, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে প্রজনন বিঘ্নিত হচ্ছে এবং মৎস্য সম্পদ হ্রাস পাচ্ছে। তাই রমিজ উদ্দিন সাহেব উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়ে মাছ ধরতে নিষেধ করেছেন।

SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল

মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সাহেব গ্রামবাসীকে উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়…

উদ্দীপক

মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সাহেব আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে বড়খাপন গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় লক্ষ করলেন গ্রামের লোকজন খাল থেকে শোল, গজার, টাকিসহ নানা জাতের মাছ ধরছে। তিনি এও লক্ষ করলেন ধরা মাছের মধ্যে বেশকিছু ডিমওয়ালা মা মাছও আছে। তিনি গ্রামের লোকদের ডেকে একত্রিত করে ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেন এবং এর কুফল ও শাস্তি সম্পর্কে পরামর্শ দেন।

Chittagong · 2023

উত্তর

রসালো অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাই হলো সাইলেজ।

উত্তর

মাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি মাছকে সম্পূরক খাদ্য দেওয়ার গুরুত্ব অনেক। মাছ চাষের ক্ষেত্রে অধিক উৎপাদন পাওয়ার জন্য পুকুরে অধিক ঘনত্বে পোনা ছাড়া হয়। শুধু প্রাকৃতিক খাদ্য মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক উৎপাদন পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। এমনকি সার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক খাদ্য বৃদ্ধি করলেও তা যথেষ্ট হয় না। মাছের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য তখন পুকুরে সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করতে হয়। এসব সম্পূরক খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যেমন-আমিষ, শর্করা, স্নেহ, খনিজ, লবণ ও ভিটামিন মাত্রানুযায়ী থাকে। ফলে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হওয়া যায়। তাই মাছ সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করা হয়।

উত্তর

মৎস্য কর্মকর্তা রমিজ উদ্দীন সাহেব আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে শোল, গজার, টাকিসহ নানা জাতের মাছ এবং ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেন। কারণ এ সময়ে উল্লিখিত মাছগুলো পোনা অবস্থায় থাকে। মাছের বংশবিস্তার হয় ডিমের মাধ্যমে। তাই ডিমওয়ালা মাছের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এ থেকে পরবর্তীতে আরও অনেক মাছের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এসব ডিমওয়ালা মাছ নির্বিচারে ধরে ফেলাতে অনেক ডিম অফুটন্ত অবস্থাতেই রয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে মৎস্য সম্পদ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও নিষিদ্ধ সময়গুলোতে পোনা মাছ ধরলে, মাছ আর বড় হতে পারে না ফলে মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এভাবে যদি মাছের প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করা হয় তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই জলাশয়গুলো মাছ শূন্য হয়ে যাবে। মাছ থেকে আমরা প্রাণিজ আমিষ পাই। সেক্ষেত্রে মাছের পরিমাণ কমতে থাকলে আমাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হুমকির সম্মুখীন হবে। তাই বলা যায়, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরার ফলে প্রজনন বিঘ্নিত হচ্ছে এবং মৎস্য সম্পদ হ্রাস পাচ্ছে। তাই রমিজ উদ্দিন সাহেব উদ্দীপকে উল্লিখিত সময়ে মাছ ধরতে নিষেধ করেছেন।

উত্তর

দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ সুদূরপ্রসারী ও যথার্থ। কারণ তিনি সাহেব ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেছেন এবং এর কুফল ও শাস্তি সম্পর্কে গ্রামবাসিকে পরামর্শ দেন। ডিমওয়ালা মাছ ধরলে ডিম অফুটন্ত অবস্থাতেই মারা যায়। ফলে এ থেকে আরও অনেক মাছের উৎপাদন বন্ধ হয় না। প্রতি বছর ডিমওয়ালা মাছ ধরার কারণে মৎস্য সম্পদ কমে যাচ্ছে। এতে জলাশয়গুলো মাছ শূন্য হয়ে যাবে। এতে করে মৎস্য উৎপাদন কমে যাবে, মানুষের আমিষের ঘাটতি দেখা দিবে। মানুষ তথা দেশ ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই ডিমওয়ালা মাছ ধরা যাবে না। মাছকে প্রজননে বাধা দেওয়া যাবে না। এতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্ভম্ব হবে। ডিমওয়ালা মাছ ধরলে মৎস্য আইন অনুযায়ী বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে। যেমন- ১. প্রথমবার আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি হবে কমপক্ষে ১ মাস হতে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ১০০০/-টাকা জরিমানা। ২. পরবর্তীতে প্রতিবার আইন ভঙ্গের জন্য কমপক্ষে ২ মাস হতে সর্বোচ্চ ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ২০০০/-টাকা জরিমানা। শাস্তির বিধানের কারণে জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকে। এতে করে মাছ বড় হতে সুযোগ পায় এবং ডিমওয়ালা মাছ থেকে আরও মাছ উৎপাদন সম্ভব হয়। তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ সুদূরপ্রসারী ও যৌক্তিক।
SSCকৃষিশিক্ষা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.জমিতে কয় পর্যায়ে রোগিং করতে হয়?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বীজকে সুষ্ঠু প্রক্রিয়াজাত করলে- i. বীজের বিশুদ্ধতা বাড়ে ii. বীজের সুপ্তকাল বাড়ে iii. বীজের অঙ্কুরোদগম বাড়ে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: গণি মিয়া তার নিজ জমিতে উৎপাদিত ২০ কেজি ধান বীজ পরবর্তীতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পরিমিত তাপে দক্ষতার সাথে শুকানোর পরে ওজন করে দেখলেন তার বীজের ওজন হয়েছে ১৬ কেজি। Q. গণি মিয়ার কার্যক্রমের ফলে- i. সর্বোচ্চ মানের বীজ পাওয়া যায় ii. বীজ দীর্ঘকাল সংরক্ষণ করা যায় iii. বীজের ব্যবসায় আর্থিক লাভের সম্ভাবনা হ্রাস পায় নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: গণি মিয়া তার নিজ জমিতে উৎপাদিত ২০ কেজি ধান বীজ পরবর্তীতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পরিমিত তাপে দক্ষতার সাথে শুকানোর পরে ওজন করে দেখলেন তার বীজের ওজন হয়েছে ১৬ কেজি। Q. গণি মিয়ার বীজগুলোর আর্দ্রতার শতকরা হার কত?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সাইলেজ কোন ধরনের খাদ্য?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোন ফসলটি ভূমিক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আলুর কোন রোগ ব্যাপক ক্ষতি করে?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: আব্বাস উদ্দিন তার জমির মাষকলাই গাছের পাতার উপর পৃষ্ঠে পাউডারের মত আবরণ দেখতে পান। Q. আব্বাস উদ্দিনকে উল্লিখিত রোগ প্রতিকারের জন্য- i. বিকল্প পোষক ও গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে ii. থিউভিট প্রয়োগ করতে হবে iii. রোগাক্রান্ত বীজ বপন করতে হবে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: আব্বাস উদ্দিন তার জমির মাষকলাই গাছের পাতার উপর পৃষ্ঠে পাউডারের মত আবরণ দেখতে পান। Q. আব্বাস উদ্দিনের ফসলে কোন রোগ দেখা দিয়েছে?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কল্যাণীয়া কোন ফসলের জাত?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আবদ্ধ পদ্ধতিতে হাঁস পালন করলে- i. শ্রমিক কম লাগে ii. খাদ্য গ্রহণ সমভাবে হয় iii. জায়গা কম লাগে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2022

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বীজ উৎপাদনের জন্য নির্বাচিত জমিতে অন্ততপক্ষে শতকরা কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকা উচিত?

Mymensingh · 2023

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

জমিতে কয় পর্যায়ে রোগিং করতে হয়?বীজকে সুষ্ঠু প্রক্রিয়াজাত করলে- i. বীজের বিশুদ্ধতা বাড়ে ii. বীজের সুপ্তকাল বাড়ে নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: গণি মিয়া তার নিজ জমিতে উৎপাদিত ২০ কনিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: গণি মিয়া তার নিজ জমিতে উৎপাদিত ২০ কসাইলেজ কোন ধরনের খাদ্য?নিচের কোন ফসলটি ভূমিক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে?আলুর কোন রোগ ব্যাপক ক্ষতি করে?নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: আব্বাস উদ্দিন তার জমির মাষকলাই গাছেনিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: আব্বাস উদ্দিন তার জমির মাষকলাই গাছেকল্যাণীয়া কোন ফসলের জাত?আবদ্ধ পদ্ধতিতে হাঁস পালন করলে- i. শ্রমিক কম লাগে ii. খাদ্য গ্রহণ সমভাবে হয় iii. বীজ উৎপাদনের জন্য নির্বাচিত জমিতে অন্ততপক্ষে শতকরা কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকা উচিত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।