দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ মূল্যায়ন কর।
উত্তর: দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ সুদূরপ্রসারী ও যথার্থ। কারণ তিনি সাহেব ডিমওয়ালা মাছ ধরতে নিষেধ করেছেন এবং এর কুফল ও শাস্তি সম্পর্কে গ্রামবাসিকে পরামর্শ দেন। ডিমওয়ালা মাছ ধরলে ডিম অফুটন্ত অবস্থাতেই মারা যায়। ফলে এ থেকে আরও অনেক মাছের উৎপাদন বন্ধ হয় না। প্রতি বছর ডিমওয়ালা মাছ ধরার কারণে মৎস্য সম্পদ কমে যাচ্ছে। এতে জলাশয়গুলো মাছ শূন্য হয়ে যাবে। এতে করে মৎস্য উৎপাদন কমে যাবে, মানুষের আমিষের ঘাটতি দেখা দিবে। মানুষ তথা দেশ ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই ডিমওয়ালা মাছ ধরা যাবে না। মাছকে প্রজননে বাধা দেওয়া যাবে না। এতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্ভম্ব হবে। ডিমওয়ালা মাছ ধরলে মৎস্য আইন অনুযায়ী বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে। যেমন- ১. প্রথমবার আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি হবে কমপক্ষে ১ মাস হতে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ১০০০/-টাকা জরিমানা। ২. পরবর্তীতে প্রতিবার আইন ভঙ্গের জন্য কমপক্ষে ২ মাস হতে সর্বোচ্চ ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ২০০০/-টাকা জরিমানা। শাস্তির বিধানের কারণে জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকে। এতে করে মাছ বড় হতে সুযোগ পায় এবং ডিমওয়ালা মাছ থেকে আরও মাছ উৎপাদন সম্ভব হয়। তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের পরামর্শ সুদূরপ্রসারী ও যৌক্তিক।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রমিজ উদ্দিন সাহেবের …
উদ্দীপক
Chittagong · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর