উদ্দীপকের ৩নং ও ৪নং হলো যথাক্রমে হে ও সাইলেজ যা গবাদিপশুর আঁশ জাতীয় খাদ্য।
সবুজ অবস্থায় ঘাসকে শুকিয়ে এর আর্দ্রতা ২০% বা তার নিচে নামিয়ে এনে হে প্রস্তুত করা হয়। রসাল অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করা হলো সাইলেজ। হে ও সাইলেজ গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত খাদ্য যা সারাবছর গবাদিপশুকে সরবরাহ করা যায়।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত গবাদিপশুর খাদ্যের বেশিরভাগ কৃষি শস্যের উপজাত। বর্ষা মৌসুমে অনেক ঘাস উৎপাদিত হওয়ায় তা গবাদিপশুকে খাওয়ানোর পরও অতিরিক্ত থেকে যায়। আবার শীতকালেও অতিরিক্ত শিম গোত্রীয় ঘাসের উৎপাদন হয়। তাই এই অতিরিক্ত ঘাস সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। যখন কাঁচা ঘাসের অভাব হয় তখন এই সংরক্ষিত ঘাস গবাদিপশুকে সরবরাহ করা হয়। এতে করে গবাদিপশুর সারাবছরের প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়। ফলে গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন ব্যাহত হয় না।
সুতরাং, আমাদের দেশের গবাদিপশুর উন্নয়নে হে ও সাইলেজ খাদ্যের আবশ্যকতা অনস্বীকার্য।