বীজকে দীর্ঘায়ু ও পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজের আর্দ্রতা কমিয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড মানে আনার কোনো বিকল্প নেই।। ক্ষেত থেকে যখন ফসল কাটা হয় তখন এর আর্দ্রতা থাকে ১৮ থেকে ৪০% পর্যন্ত। এই আর্দ্রতা বীজের জীবনীশক্তি নষ্ট করে ফেলে। তাই বীজকে পরবর্তী মৌসুমে ব্যবহারের নিমিত্তে বীজের আর্দ্রতাকে ১২% বা তার নিচে নামিয়ে আনা আবশ্যক। বীজের আর্দ্রতার হার যত বেশি। হবে বীজের গজানোর ক্ষমতা ও তেজ ততই হ্রাস পাবে। তাই বীজের। অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ও জীবনীশক্তি বাড়াতে উপযুক্ত আর্দ্রতায় বীজ শুকিয়ে নিতে হবে। উদ্দীপকে রফিক সাহেব পরিমিত তাপে ওভেনে সঠিকভাবে বীজ শুকান। তার বীজের আর্দ্রতার হার ছিল ১১%। তিনি সঠিকভাবে বীজ না শুকালে তার বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ও জীবনীশক্তি হ্রাস পেত। ফলে চারা সঠিকভাবে, গজাতো না। এছাড়াও তিনি মটকাতে তার সংগৃহীত বীজ সংরক্ষণ করেন।মটকা পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণে খরচ ও ঝামেলা কম তাই গ্রামীণ পর্যায়ে বীজ সংরক্ষণে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মটকায় বীজ সংরক্ষণের ফলে ইঁদুর, পাখি, ছত্রাক, আর্দ্রতা দ্বারা বীজ নষ্ট হবে না এবং বীজের সাথে ধুলাবালি, নুড়িপাথর মিশে বীজের গুণাগুণ নষ্ট করতে পারবে না।উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, রফিক সাহেবের কার্যক্রম যথার্থ হয়েছে।