বীজ সংরক্ষণে রহিম মিয়ার কার্যক্রম মূল্যায়ন কর।
উত্তর: বীজ সংরক্ষণে রহিম মিয়ার কার্যক্রম নিচে মূল্যায়ন করা হলো :বীজ ভীষণ অনুভূতিপ্রবণ। একটু অসতর্কতার জন্য বিপুল পরিমাণ বীজ নষ্ট হয়। কৃষকেরা তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বীজ সংরক্ষণ করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের অধিকাংশ কৃষকই দরিদ্র। বীজ সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থাপনা তাদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।কিন্তু পরবর্তী মৌসুমে ভালো ফসল উৎপাদনের জন্য সুস্থ সবল বীজ সংরক্ষণ জরুরি।রহিম মিয়া বীজগুলোকে একটি বায়ুরোধী বাঁশের তৈরি বড় ঝুড়িতে সংরক্ষণ করেন, যাকে ডোলে বীজ সংরক্ষণ বলা হয়। ডোল আকারে ধানগোলার চেয়ে ছোট। ডোল ধানগোলার চেয়ে কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ পাত্র। এটি বাঁশ বা কাঠ দিয়ে গোলাকার করে তৈরি করা হয়। ধানগোলার মতোই ডোলের বাইরে ও ভিতরে গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে বীজ রাখার উপযুক্ত করা হয়।বীজ সংরক্ষণে ডোল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডোলে বীজ সংরক্ষণের ফলে ইঁদুর, পাখি, ছত্রাক, আর্দ্রতা দ্বারা বীজ নষ্ট হবে না এবং বীজের সাথে ধুলাবালি, নুড়ি পাথর মিশে বীজের গুণাগুণ নষ্ট করতে পারবে না।সুতরাং বীজ সংরক্ষণে রহিম মিয়ার কার্যক্রম যথার্থ।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
বীজ সংরক্ষণে রহিম মিয়ার কার্যক্রম মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Dinajpur · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর