বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে করিম মিয়ার গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে করিম মিয়ার গৃহীত পদক্ষেপ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-যেহেতু আমাদের দেশের বেশিরভাগ কৃষক বিভিন্ন কারণে নিজেরাই উৎপাদিত বীজ সংরক্ষণ করে ব্যবহার করে থাকেন তাই তাদের সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণের পদ্ধতি জানা অত্যন্ত জরুরি। বিভিন্ন দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই বীজ সংরক্ষণ করা যায়। এর মধ্যে একটি হলো চটের বস্তায় বীজ সংরক্ষণ। বীজ সঠিকভাবে শুকানোর পর তা যদি দাঁত দিয়ে কামড়ালে কট্ করে আওয়াজ করে তবে তা চটের বস্তায় ভরে গোলায় গুছিয়ে রাখতে হয়। নিমের পাতা, শিকড়, আপেলের বীজের গুঁড়া, বিষকাঁটালি ইত্যাদি বীজের বস্তায় মিশিয়ে দিলে বীজ পোকা-মাকড়ের উপদ্রব থেকে রক্ষা পায়। সঠিকভাবে বাঁশ বা কাঠ দিয়ে তৈরি গোলাঘরেও সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ করা যায়। বাংলাদেশে সাধারণত ১.৫ মি. ব্যাস ও ১.৫ মি. উচ্চতার মধ্যম শ্রেণির গোলা ব্যবহার করা হয়। গোলার বাইরে ও ভেতরের দেয়ালে গোবর ও মাটির মিশ্রণ লেপে দিলে তা গোলাঘরের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা সংরক্ষণ করে। গোলাঘরে এমনভাবে বীজ ভরতে হবে যাতে বাতাস না থাকে এমনকি গোলার মুখও শূন্য রাখা ঠিক নয়। গ্রামবাংলায় ডুলি বা মটকাও বীজ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। সঠিকমাপের পলিথিন ব্যাগে সীজ সংরক্ষণ করা সবচেয়ে ভালো। এ পলিথিন সাধারণত একটু মোটা হয়। এসব পদ্ধতি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে খুব কম খরচে সফলভাবে বীজ সংরক্ষণ করা যায়। তাই আমি মনে করি বীজ সংরক্ষণে করিম মিয়ার গৃহীত পদক্ষেপ কৃষকদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
SSC কৃষিশিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · কৃষিশিক্ষা · সৃজনশীল
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে করিম মিয়ার গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
Barisal · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর