চারা উৎপাদনে উদ্দীপকের শামীম সাহেবের কার্যক্রমটি যুক্তিসংগত ছিল না।
উদ্দীপকের শামীম সাহেব আদর্শ বীজতলা তৈরি করতে সক্ষম হলেও চারার সঠিক পরিচর্যা করতে ব্যর্থ হন। ৩ শতক আয়তাকার জমিতে তিনি ৬ খণ্ডবিশিষ্ট বীজতলা তৈরি করেন। ফলে তার চারাগুলো সুন্দরভাবেও গজালো।
বীজতলার চারাগুলো হলদে বর্ণ ধারণ করলে প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম হারে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার প্রয়োগ করা জরুরি। ইউরিয়া প্রয়োগের পর চারাগুলো সবুজ না হলে গন্ধকের (সালফার) অভাব হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। এক্ষেত্রে বীজতলায় প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু শামীম সাহেব তার চারাগুলো হলুদ রং ধারণ করায় তিনি তাতে মিউরেট অব পটাশ সার ছিটিয়ে দেন। পটাশিয়ামযুক্ত সার প্রয়োগের ফলে তার চারাগুলো আর কখনেই সবুজ হবে না। নাইট্রোজেনযুক্ত সার প্রয়োগের বদলে পটাশিয়ামযুক্ত সার প্রয়োগ করার ফলে চারাগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তের অভাবে শামীম সাহেবের চারা উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তাই বলতে হয়, চারা উৎপাদনে শামীম সাহেবের কার্যক্রমটি অযৌক্তিক।