বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে কলিম উদ্দিন শেখের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নার্সারি করা গৃহীত সিদ্ধান্তটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।
কলিম উদ্দিন শেখের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নার্সারি করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। নার্সারি হলো এমন একটি স্থান যেখানে চারা স্থানান্তর ও রোপনের পূর্ব পর্যন্ত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এমন অনেক বীজ রয়েছে যেগুলো গাছ থেকে ঝরে পড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোপণ করতে হয়। তা না হলে অঙ্কুরোদগমের হার কমতে থাকে। এসব প্রজাতির জন্য নার্সারি একান্ত অপরিহার্য। নার্সারিতে বনজ, ফলজ ও ঔষধি উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করে জনসাধারণের নিকট বিক্রয় করা হয়। এর ফলে বনায়নের প্রসার ঘটে। নার্সারিতে কাজ করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করে। নার্সারি ব্যবসা করে অনেক লোকের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তৈরি আসে। নার্সারিতে উৎপাদিত চারা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বনায়ন তৈরি করা হয়। উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী তৈরিতে নার্সারিতে উৎপন্ন চারা রোপণ করা হয়। আবার পলিব্যাগে চারা তৈরি যেমন- সহজ তেমন সহজেই পরিচর্যা করা যায়। একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবহণ করা সহজ। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
তাই বলা যায় যে, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে কলিম উদ্দিন শেখের বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নামারি করার গৃহীত সিদ্ধান্তটি যথার্থ ও যৌক্তিক হয়েছে।