চারা উৎপাদনে উদ্দীপকের হাসান সাহেবের কার্যক্রমটি যুক্তিসংগত ছিল না।
উদ্দীপকের হাসান সাহেব আদর্শ বীজতলা তৈরি করতে সক্ষম হলেও চারার সঠিক পরিচর্যা করতে ব্যর্থ হন। ৩ শতক আয়তাকার জমিতে তিনি ৬ খণ্ডবিশিষ্ট বীজতলা গঠন করেন। ফলে তার চারাগুলো সুন্দরভাবেও গজালো।
বীজতলার চারাগুলো হলদে হয়ে গেলেই প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম হারে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার প্রয়োগ করা জরুরি। ইউরিয়া প্রয়োগের পর চারাগুলো সবুজ না হলে গন্ধবের (সালফার) অভাব হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। এক্ষেত্রে বীজতলায় প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু হাসান সাহেব তার চারাগুলো হলুদ রং ধারণ করায় তিনি তাতে মিউরেট অব পটাশ সার ছিটিয়ে দেন। পটাশিয়ামযুক্ত সার প্রয়োগের ফলে তার চারাগুলো আর কখনেই সবুজ হবে না। নাইট্রোজেন যুক্ত সার প্রয়োগের বদলে পটাশিয়ামযুক্ত সার প্রয়োগ করার ফলে চারাগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
অতএব উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তের অভাবে হাসান সাহেবের চারা উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তাই বলতে হয়, চারা উৎপাদনে হাসান সাহেবের কার্যক্রমটি যৌক্তিক নয়।