রফিক সাহেব তার বাড়ির চারপাশের পতিত জমিতে শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি চাষ করে পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হন। তাই তিনি বাণিজ্যিকভাবে মিষ্টি কুমড়া চাষের সিদ্ধান্ত নেন।
মানবদেহের জন্য শাকবজি অত্যাবশ্যক। সুস্থ ও সবল দেহ নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যেককে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি আহার করতে হয়। শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন এ.বি ও সি থাকে। এছাড়া আমিষ, ক্যালরি ও খনিজ পদার্থের উৎস হিসেবে শাকসবজির গুরুত্ব অনেক। এমনকি শাকসবজিতে অনেক ভেষজ গুণাগুণ রয়েছে। গ্রামের দরিদ্র কৃষকেরা শাকসবজি উৎপাদন করলে তারা তাদের অপুষ্টির সমস্যা কম খরচে দূর করতে পারবে, আবার আর্থিকভাবেও স্বচ্ছলতা অর্জন করতে পারবে। তারা শাকসবজি চাষ করে পতিত জমির সদব্যবহার করতে পারে, বেকার সমস্যা দূরীকরণ, মহিলা ও পারিবারিক শ্রমকে কাজে লাগাতে পারে এবং সর্বোপরি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। এতে করে নতুন শিল্পের বিকাশ ঘটে এবং বৈদেশিক মুদ্রাও আয় হতে পারে।
তাই বলা যায়, রফিক সাহেবের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র পরিবারের পুষ্টি চাহিদাই পূরণ করে না, আর্থিক স্বচ্ছলতা আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।