উদ্দীপকে হারেজ মিয়া পাট চাষ করে লাভবান হন। হারেজ মিয়া লাভবান হওয়ায় অন্যান্য কৃষকগণও পাট চাষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।হারেজ মিয়ার কার্যক্রমটি অন্যান্য কৃষকগণের গ্রহণ করার যৌক্তিকতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-১. বাংলাদেশের উৎপাদিত অর্থকরী ফসলগুলোর মধ্যে পাট অন্যতম হওয়ায় কৃষকরা সহজেই বাজারজাতকরণের মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।২. কৃষকরা পাট. চাষ করলে এলাকার অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।৩. যে সব জমিতে জলাবদ্ধতা সমস্যা আছে সেখানে কৃষকরা পাট চাষ করে জমির সঠিক ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে জমির অপচয় রোধ হবে।৪. পাট শাক বাজারে বিক্রি করে বাড়তি উপার্জন করতে পারবেন।৫. খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি ইত্যাদির কারণে পাট অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে না।৬. পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়। পাটের আঁশ ব্যবহার করে নানা ধরনের ব্যবহারিক জিনিস তৈরি করা হয়। যেমন- চট, বস্তা, ব্যাগ, কার্পেট ইত্যাদি।
পাট চাষের ক্ষেত্রে হারেজ মিয়ার আশাতীত সাফল্য একদিকে কৃষকদের উৎসাহিত করে। অন্যদিকে উপরিউক্ত সুবিধাগুলো পাট চাষে নিহিত থাকায়, হারেজ মিয়ার কার্যক্রমটি অন্যান্য কৃষকগণ গ্রহণ করেছিলেন।