যেহেতু কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কৃষক রতন ভালো ফলন পেলেন অর্থাৎ কৃষি কর্মকর্তা তাকে সঠিক রোগ ও পোকা ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দিয়েছেন বলে বোঝা যায় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শটি যথার্থ ছিল। কারণ সঠিক রোগ ও পোকা ব্যবস্থাপনা ভালো ফলন লাভের পথ প্রসারিত করে।
কৃষক রতনের জমির মাষকলাইয়ের পাতায় দাগ রোগ, পাউডারি মিলডিউ রোগ এবং হলদে মোজাইক ভাইরাস দেখা দিয়েছিল। প্রতিকার ব্যবস্থা হিসেবে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী তিনি রোগ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।
পাতায় দাগ রোগের প্রতিকার হিসেবে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করেন, পাউডারি মিলডিউ রোগের জন্য টিল্ট বা থিওভিট এবং হলদে মোজাইক ভাইরাসের জন্য ম্যালাথিয়ন স্প্রে করেন। এছাড়াও তিনি মাষকলাইয়ের বিছা পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য সাইপারমেথ্রিন ইসি এক লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করেন। আরো ভালো ফলন পাওয়ার আসায় সঠিক সময়ে বীজ শোধন এবং সার ব্যবস্থাপনাও ঠিকঠাকভাবে পালন করেছেন।
উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, রোগ ব্যবস্থাপনা ও পোকা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাষকলাইয়ের ক্ষতি রোধ করে কৃষক রতন আর্থিকভাবে লাভবান হতে পেরেছিলেন। ভালো ফলন পেতে রোগ ও পোকা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব বিশ্লেষণ করেই বলা যায়, উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শটি যথার্থ ছিল।