গৃহ ও সন্তানদের পরিচালনার ক্ষেত্রে শাহেদের কর্মকাণ্ড কার্যকর ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে শাহেদ সময় পেলেই রুমাকে গৃহস্থালী কাজে সাহায্য করে এবং সান্তানদের দেখাশোনা করে। যা শিশুর বিকাশে খুবই কার্যকর। শিশুরা সাধরণত খাদ্য ও নানা ধরনের শরীরবৃত্তীয় কাজে মায়ের ওপর নির্ভরশীল থাকে। এসব কাজে বাবারও সহায়ক ভূমিকা থাকলে শিশুর মায়ের ওপর নির্ভরশীলতা কমে এবং বাবার সাথে তার আসক্তি তৈরি হয়।
গবেষকরা দেখেছেন বাবার সাথে শিশুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক শিশুর ইতিবাচক বিকাশে ভূমিকা রাখে। শিশুর লালন-পালনে বাবার অংশগ্রহণ মায়ের তুলনায় কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং কখনো কখনো শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশে মায়ের চেয়েও বাবা বেশি শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। যে পরিবারে বাবা শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দেন, শিশু লালন-পালনে স্নেহপূর্ণ অংশ নেন সে পরিবারের শিশুর মধ্যে বিভিন্ন আচরণগত সমস্যা কম দেখা যায়। এমনকি বাবার অংশগ্রহণ, শিশুর কৈশোরের মাদকাসক্তি বা অপরাধমূলক কাজ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
সুতরাং বলা যায়, গৃহ ও সন্তানদের পরিচালনার ক্ষেত্রে শাহেদের কর্মকাণ্ড খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে।