উদ্দীপকে রহমান সাহেবের পুকুরে সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিচে মূল্যায়ন করা হলো-মাছ চাষকে লাভজনক করতে হলে প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি মাছকে বাহির থেকে যেসব খাদ্য সরবরাহ করা হয় তাকে সম্পূরক খাদ্য বলে।সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের মাধ্যমে অধিক ঘনত্বে পোনা ও বড় মাছ চাষ করা সম্ভব হয়, অল্প সময়ে সুস্থ ও সবল পোনা উৎপন্ন হয় এবং পোনার বাঁচার হার বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং মাছ পুষ্টির অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকে। এসব সুবিধার কারণে কম সময়ে অধিক মাছ উৎপাদন ও আর্থিক মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, রহমান সাহেব মাত্র ৪ কেজি পোনা ছাড়িয়ে ৬ মাসে ৭০ কেজি মাছ আহরণ করেছেন এবং ৮০ কেজি সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করেছেন। এটি প্রমাণ করে যে, প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও অধিক উৎপাদনে সহায়ক হয়েছে।সুতরাং উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, রহমান সাহেবের মাছকে সম্পূরক খাদ্য প্রদান করার কার্যক্রমটি যুক্তিযুক্ত।