উদ্দীপকে উল্লেখিত রফিক তার উৎপাদিত ফসল থেকে কিছু অংশ বীজ হিসেবে পরবর্তী মৌসুমে ব্যবহারের জন্য গোলায় সংরক্ষণ করেন। এই পদ্ধতিটি বাদে আর যেসব পদ্ধতিতে ধান বীজ সংরক্ষণ করা যায় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-১. বীজ শুকানো ও চটের বস্তায় সংরক্ষণ: বীজকে রোদে শুকিয়ে আর্দ্রতা ১২-১৩%-এ আনতে হয়। অতঃপর বীজগুলোকে চটের বস্তায় বস্তাবন্দি করা হয় এবং গোলা ঘরে রাখা হয়। বীজ পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য বস্তায় নিমের পাতা, নিমের শিকড়, আপেল বীজের গুঁড়া, বিষকাঁটালি ইত্যাদি মেশানো হয়।
২.ডোলে সংরক্ষণ : ডোল আকারে, ধান গোলার চেয়ে ছোট। তাই ডোলে বীজের ধারণক্ষমতা কম।৩. পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ : আজকাল পাঁচ কেজি ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট পলিথিন ব্যাগে বীজ সংরক্ষণ করা হয়। শুকনো বীজ এমনভাবে পলিথিনে রাখতে হবে যেন কোনো ফাঁকা না থাকে এবং ব্যাগে কোনো বাতাস না থাকে।৪. মটকায় সংরক্ষণ : মটকা মাটি নির্মিত একটি গোলাকার পাত্র।মটকার ভিতর শুকনো বীজ পুরোপুরি ভর্তি করা হয়। অতঃপর ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে উপরে প্রলেপ দিয়ে বায়ুরোধক করা হয়।