যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ গ্রহণ করলে দেহের শক্তি উৎপাদন, ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধি সাধন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে তাকে খাদ্য বলে। দেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে খাদ্য উপাদানের ভূমিকা অপরিসীম। খাদ্য হিসেবে আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত উভয় থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন ধরনের শস্যদানা, চাল, ডাল, বীচি, শাকসবজি, ফল, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ প্রভৃতি গ্রহণ করে থাকি। খাদ্য গ্রহণের পর খাদ্যনালিতে এর উপাদানগুলো শোষিত হয়ে কোষে পৌঁছায়। পরবর্তীতে শরীরে শক্তি উৎপাদন, গঠন ও বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ ইত্যাদি কাজগুলো খাদ্য সম্পন্ন করে থাকে। জন্মমুহূর্ত থেকে শুরু করে অবিরত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে আমাদের দেহের বৃদ্ধিসাধন হয়। মাতৃগর্ভ থেকে শুরু করে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত মানবদেহের বৃদ্ধিসাধন চলে। খাদ্যের মধ্যে অবস্থিত প্রোটিন জাতীয় পুষ্টি উপাদানটি দেহ গঠন ও বৃদ্ধিসাধন করে। খনিজ লবণ ও ফসফরাস দেহের হাড় ও দাঁত গঠনে অংশ নেয়।