পরিবেশ দূষণের নানাবিধ কারণ রয়েছে।মানুষ জীবনযাত্রাকে সহজ ও আরামদায়ক করার জন্য নিজের সুবিধামতো ও অপরিকল্পিতভাবে বহুমল ভরন নির্মাণ, ভূগর্ভের পানি উত্তোলন ও শিল্পকারখানা তৈরি করছে, বিভিন্ন বৈদ্দ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে, যা পক্ষান্তরে পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে জনজীবনে দুভোর্গ ডেকে আনছে। ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা ও পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বর্ধিত জনসংখ্যার প্রয়োজনে বনজঙ্গল, গাছপালা কেটে বসতবাড়ি, চাষের জমি তৈরি করা হয়। গাছপালা কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যায়, খরার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাসস্থান, যানবাহন, শিল্পকারখানা সবকিছুর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে বৃদ্ধি পায় বিভিন্ন ধরনের দূষণ। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে পরিবশেদূষণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার নদীর পানিতে কলকারখানার আবর্জনা মিশে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের আরেকটি অন্যতম কারণ হলো বনজ সম্পদ ধ্বংস। নগরায়ন, শিল্পায়ন, জ্বালানি সংগ্রহ ও কৃষিকাজ সম্প্রসারণে প্রতিনিয়ত বনজ সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। ফলে ভূমিক্ষয় হয়ে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট, কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই ইটভাটা গড়ে তোলা, অচল ও অধিক যানবাহন ব্যবস্থা, অপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাঙ্ক ব্যবহার প্রভৃতি মারাত্মকভাবে পরিবেশকে দূষিত করছে।