দুর্যোগ-পূর্ববর্তী ও দুর্যোগ-পরবর্তী যথার্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশকে বহুলাংশে রক্ষা করা সম্ভব।
দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগপূর্ব সময়ে দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়। উদ্দীপকে দেখা যায় যে, মাইকিং ও রেডিও টিভির বার্তায় সতর্ক সংকেত ঘোষণা করার ফলে জনগণ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে পেরেছে। এছাড়াও দুর্যোগের আগে শুকনা খাবার, পানি, মোম-দিয়াশলাই, ওষুধ ইত্যাদি নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির ওপর নির্ভর করে। দুর্যোগপূর্ণ এলাকার জনগণকে উদ্ধার করা, ত্রাণ পৌঁছানো, আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা, অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করা।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে যেগুলো যথার্থ ছিল। কিন্তু দুর্যোগ পরবর্তী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।