মেঝেতে আচ্ছাদন ব্যবহার করে উদ্দীপকে শবনম তার সমস্যার সমাধান করতে পারেন।মেঝের আচ্ছাদন হিসেবে কার্পেট, শতরঞ্জি, মাদুর, পাটি, সুতার চট ব্যবহার করা হয়। এগুলো একদিকে ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়, অন্যদিকে মেঝের কোন ত্রুটি থাকলে তা ঢেকে রাখা যায়। মেঝের আচ্ছাদন হিসেবে কার্পেট বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় গৃহসজ্জার উপকরণ। কার্পেট বিভিন্ন রং, প্রিন্ট, জমিন, মান ও মাপের হয়ে থাকে।উদ্দীপকে শবনমের বাড়িটি অত্যন্ত পুরনো হওয়ায় মেঝের বিভিন্ন অংশে কাটা দাগ দেখা দিয়েছে। এতে বাড়ির সৌন্দর্য নিয়ে শবনম বেশ চিন্তিত। মেঝের এ ত্রুটি ঢেকে রাখতে শবনম কার্পেট, শতরঞ্জি, মাদুর অথবা সুতার চট ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো একদিকে তার ঘরের সৌন্দর্য বাড়াবে অন্যদিকে সমস্যার সমাধানও হবে। এক্ষেত্রে কার্পেট ব্যবহারে তাকে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ আমাদের দেশে ধুলাবালি বেশি বলে কার্পেটে অনেক ধুলাবালি জমে যায়। ফলে 'ডান্ট এলার্জি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার অনেকদিন ব্যবহারে কিংবা বারবার ধোয়ার কারণে অনেক সময় রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন শবনমকে ব্রাশের সাহায্যে কার্পেটের ধুলাবালি পরিষ্কার করতে হবে। কোনো কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নতুন করে রং করাতে পারেন। অন্যথায়, একটু দাম বেশি হলেও সিনথেটিকের কার্পেট ব্যবহার করতে পারেন। তুলনামূলকভাবে কার্পেটের পরিবর্তে নকশাবিশিষ্ট মাদুর, শতরঞ্জি অনেক হালকা, সস্তা এবং পরিষ্কার করা সহজ।উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে শবনম আচ্ছাদন হিসেবে কার্পেট, শতরঞ্জি, মাদুর, সুতার চট কিংবা পাটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে তার বাড়ির সৌন্দর্য বাড়বে এবং মেঝের ফাটা দাগগুলো ঢেকে রাখা সম্ভব হবে।