উদ্দীপকের স্বর্ণালী বেগমের উক্তিটি হলো, গৃহকে আকর্ষণীয় করে তুলতে শিল্পনীতি অনুসরণ করতে হয়। তার এ উক্তিটি যথাথ ও সঠিক। গৃহকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য প্রথমত গৃহ উপযোগী আসবাবপত্র নির্বাচন করতে হয়। অতঃপর এসব আসবাবপত্র শিল্পনীতি অনুসরণ করে বিন্যাস করতে হবে। শিল্পনীতি অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো- ১. সমানুপাত, ২. ভারসাম্য, ৩. সামঞ্জস্য, ৪. ছন্দ ও ৫. প্রাধান্য। এগুলোর প্রয়োগনীতি অনুসরণের ওপর গৃহের সৌন্দর্য নির্ভর করে। যেমন-১. সমানুপাত: দুটি জিনিসের পারস্পরিক মিত্রতা বা মিলনের নামই সমতা। আসবাব বিন্যাসে ঘরের আকৃতির সাথে আসবাবপত্রের আকার এবং আসবাবপত্রের পরস্পরের আকৃতির অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।২. ভারসাম্য: আসবাবপত্র বিন্যাসে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজন আছে। কক্ষের একদিকের সঙ্গে অন্যদিকের আসবাবপত্রের মাঝখানের ও কর্নারের আসবাবপত্রের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।৩. সামঞ্জস্য: সবার সাথে সবার মিত্রতাকেই সামঞ্জস্য বলে। ঘরে কেবল দামি আসবাব, চিত্রকর্ম, শো-পিস থাকলেই হবে না। সবকিছুর সাথে একটা সামঞ্জস্য থাকতে হবে।৪. ছন্দ: আসবাব বিন্যাসে শিল্পনীতি ছন্দের প্রয়োগ 'করা হলে গৃহসজ্জায় আরও নান্দনিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।৫. প্রাধান্য: আসবাববিন্যাসের অন্যতম নীতি হলো প্রাধান্য। বসার ঘরে সুদৃশ্য সেন্টার টেবিলে ফুলদানিতে তাজা ফুলের সমারোহ, খাবার ঘরে টেবিলে বিভিন্ন ফলের সমারোহ, শোবার ঘরে সুদৃশ্য আসবাব বা কার্পেট ইত্যাদি দিয়ে ঘর সাজিয়ে প্রাধান্য সৃষ্টি করা যায়।সুতরং বলা যায়, স্বর্ণালী বেগমের উক্তিটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক।