উদ্দীপকে চিত্র-১ ফ্যাশন চক্রকে নির্দেশ করেছে।
পারিবারিক জীবনচক্রের ন্যায় ফ্যাশন চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। ফ্যাশন সমূলে উচ্ছেদ হয় না। কোনো একটি ডিজাইন পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত ও পারিমার্জিত হয়ে নতুন কোনো সংযোগের মাধ্যমে বর্তমানে ফিরে আসে। এভাবে বারবার ফ্যাশন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। এই পরিবর্তন সম্পূর্ণ অনুভূতি এবং বুচির ব্যাপার। মানুষ একই জিনিস ব্যবহারের একঘেয়েমি দূর করার জন্য পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তনই ফ্যাশন হয়ে দাঁড়ায়। বস্ত্রশিল্পগুলো বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় পোশাক তৈরির মাধ্যমে জনগণকে বিশেষ করে তরুণসমাজকে প্রভাবিত করে। আবার তারা সুকৌশলে ব্যবসায়িক স্বার্থে নতুন ধরনের স্টাইলের মাধ্যমে নতুন ফ্যাশন প্রচলন করে। এভাবে তারা লাভবান হয় এবং জনগণ বৈচিত্র্যের সন্ধানে অনবরত বিভিন্ন ফ্যাশনে অভ্যস্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ- বর্তমান ফ্যাশন মুঘল ফ্যাশনের অনুরূপ।
যেমন- কাপ্তান, লেহেঙ্গা, সালোয়ার-কামিজ, পাজামা, পাঞ্জাবি, সূচিশিল্প প্রভৃতি। অর্থাৎ যা আগে ছিল তা আবার নতুন করে এসেছে। মোটকথা, ফ্যাশন একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে আসে। অর্থাৎ পোশাকের ক্ষেত্রে প্রথমে ফ্যাশনের আবির্ভাব ঘটে, ফ্যাশনটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে, ক্রমে ক্রমে প্রসার ঘটে এবং সর্বশেষে আস্তে আস্তে ফ্যাশনটি সবার অগোচরে চলে যায়। আবার একসময় কোনো উৎসব বা উপলক্ষকে কেন্দ্র করে ফ্যাশনটির আবির্ভাব ঘটে। একেই ফ্যাশন চক্র বলে।