ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের সৌন্দর্য বাড়ানো যায়- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: বস্তুর বাহ্যিক আকারই হচ্ছে ডিজাইন। ডিজাইন বলতে একটি নিয়মতান্ত্রিক পরিকল্পনাকে বোঝায়। কোনো শিল্প সৃষ্টিতে ডিজাইন আবশ্যক। শৃঙ্খলা বিধান এবং সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বস্তু সামগ্রীর নির্বাচন এবং সাজানোকেই এক কথায় বলা হয় ডিজাইন।পোশাক পরিচ্ছেদ হলো মানুষের মৌলিক চাহিদা, যা দেহের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখে। এ সৌন্দর্যবর্ধনে ডিজানের গুরুত্ব অপরিসীম। পোশাকে ডিজাইন দুইভাবে পরিলক্ষিত হয়। যেমন- গঠনমূলক ডিজাইন এবং সজ্জামূলক ডিজাইন। পোশাকের আকার দেওয়ার জন্য যে ডিজাইন ব্যবহার করা হয় তাকে গঠনমূলক ডিজাইন বলে। পোশাকের প্রত্যেক অংশের রেখা, আকৃতি প্রভৃতির উপর নির্ভর করে গঠনমূলক ডিজাইন। এ ডিজাইন পোশাকের আকার ও রেখার মাধ্যমে দেহের গঠন পরিস্ফুট হয়। যেমন- একটি কামিজ বা ব্লাউজ তৈরি করতে হলে প্রথমে গঠনমূলক ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের এক অংশের সাথে অন্য অংশের আনুপাতিক মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি করতে হয়। অর্থাৎ কাঁধ, গলা, হাত, কোমর, লম্বা ইত্যাদির মধ্যে আনুপাতিক মিল বা সংগতি থাকতে হবে। নয়তো পোশাকটি দেহের সঙ্গে মানানসই হবে না। গঠনমূলক ডিজাইনের উপর সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যখন কোনো নকশা, এমব্রয়ডারি, পাইপিং কুচি, অ্যাপ্লিক করা হয় তাকে সজ্জামূলক ডিজাইন বলে। গঠনমূলক ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাক আরামদায়ক, উপযোগী, মানানসই ও দেহের আকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা হয়। অন্যদিকে সজ্জামূলক ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকে সৌন্দর্য বাড়ানো হয় এবং পোশাকে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করা হয়। এ ধরনের ডিজাইন দিয়ে একটি সাধারণ পোশাকেও বৈচিত্র্য এনে অনন্য সাধারণ করে তোলা যায়। পোশাকে নতুনত্ব প্রকাশে এর ভূমিকা অপরিসীম। সুতরাং বলা যায়, ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের সৌন্দর্য বাড়ানো যায়।
HSC Home Science 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · সৃজনশীল
ডিজাইনের মাধ্যমে পোশাকের সৌন্দর্য বাড়ানো যায়- বিশ্লেষণ কর।
Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর