মুহসিনের পালনকৃত ইবাদতটি হলো হজ।
হজ ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম। হজের মাধ্যমে মুসলিম ব্যক্তি আত্মিক পবিত্রতা ও প্রশান্তি লাভ করে। এটি একটি সামগ্রিক ইবাদত। সালাত দৈহিক ও আত্মিক ইবাদত, সাওমও তাই। আবার জাকাত হলো আর্থিক ও আত্মিক ইবাদত। কিন্তু হজ একই সাথে দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। মানুষের সামগ্রিক কর্মতৎপরতার সবকিছুই হজে নিবেদিত হয়। মুহসিনের বর্তমান জীবনে তাই হজের ফলাফল প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব মুহসিন ইবাদতের উদ্দেশ্যে একটি দেশে গমন করেন। সেখানে তিনি পৃথিবীর প্রথম ঘর প্রদক্ষিণসহ নির্দিষ্ট কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দেশে ফিরে আসেন। যা দ্বারা মূলত হজকে নির্দেশ করা হয়। হজের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে থাকা আত্মগর্ব, হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, ঘৃণা, পরনিন্দা, ক্রোধ, কাম প্রভৃতি কুপ্রবৃত্তি থেকে পবিত্রতা অর্জিত হয়। রাসুল (স) হজকে উত্তম কাজ বলে অভিহিত করেছেন। হজের মাধ্যমে মানুষের দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা তৈরি হয়। সকল প্রকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন থেকে এ ইবাদত পালন করার দরুণ মানুষের অন্তর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠে। কেননা আল্লাহর জিকিরেই প্রশান্ত ও পবিত্র হয় অন্তর। নিষ্ঠার সাথে হজের কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার ফলে মানুষ ধৈর্যের বাস্তব প্রশিক্ষণ পায়। নামাজ-কালাম ও সামগ্রিক ইবাদত-বন্দেগিতে একনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় এ ইবাদতের মাধ্যমে। আত্মশুদ্ধির এক অনন্য মাধ্যম এই ইবাদত।
পরিশেষে বলা যায়, মুহসিন হজ পালন করেছে। এটি তার ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করবে।